রবিবার সন্ধেবেলা একটি ঘরে পুজোপাঠ চলাকালীন , জ্বালানো হয় মোমবাতি, ধূপ।সেই ঘরের ছাদে মজুত ছিল নিষিদ্ধ বাজি ।সেসময় আচমকাই ধূপের আগুন ধরে যায় বাজির মশলায়। তার থেকেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয় । বজবজের নন্দরামপুরের দাসপাড়ার বেআইনি বাজি কারখানায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল।
রবিবারের ঘটনাটি ঘটার পর সারারাত তল্লাশি চলে। ২০ হাজার কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার হয় ঘটনাস্থল থেকে। মহেশতলা, বজবজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ৩৪ জনকে। ২২ মে অর্থাৎ আজ সোমবার ৩৪ জন কে আলিপুর আদালতে পেশ করা হবে বলে সূএে খবর।সেই সঙ্গে বজবজের দাসপাড়ায় এক বাড়িতে আগুন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাল ১০ বছরের মেয়ে জয়শ্রী ঘাঁটি, ৪৫ বছরের পম্পা ঘাটি ও বছর পঁয়ষট্টির যমুনা দাস।
এই ঘটনায় নিমেষেই তোলপাড় পড়ে যায়। প্রতিবেশীরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।ঘটনাটি ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে।ডায়মন্ড হারবারের ডিএসপি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল নিরুপম ঘোষের নেতৃত্বে চলে অভিযান।রাতভর অভিযানে প্রচুর শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।কয়েকটি টিম ভাগ করে বিস্ফোরণস্থল ও সংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধ বাজির সন্ধানে তল্লাশি চালানো হয়।
এদিকে,বাজি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করায় অত্যন্ত হতাশ ব্যবসায়ীরা।তাঁদের বক্তব্য,ওইসব বাজির লাইসেন্স ছিল। কিন্তু পুলিশ তল্লাশি চালানোর সময় কিছু না দেখেই সব ঘর থেকে বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছে।সমস্যার পরও অবশ্য এই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে রাজ্যে বাজির লাইসেন্স থাকা সত্বেও পুলিশ এত বাজি বাজেয়াপ্ত করছে কিভাবে।