ইউপিএসসি পরীক্ষায় সাফল্য ও যোগ্যতা নিয়ে বাংলার কোনে কোনে রয়েছে পড়ুয়ারা।সেই সব পড়ুয়াদের হদিস পেতে ‘মেধা অন্বেষণে’ নেমেছে রাজ্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘সত্যেন্দ্রনাথ টেগোর সিভিল সার্ভিস স্টাডি সেন্টার’। কারণ ইউপিএসসি পরীক্ষায় বঙ্গবাসী সন্তানদের সাফল্য চায় রাজ্য সরকার। সেই জন্য মেধা অন্বেষণে ব্যক্তিগত ভাবে উদ্যোগী হতে বলা হয়েছে জেলাশাসকদের।’
ইউপিএসসি-তে রেজাল্ট বেরতেই দেখা গেল এবার প্রথম চারে চারজন-ই মেয়ে! যা নিয়ে গোটা দেশই উল্লসিত। উল্লসিত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এঁদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন ইশিতা কিশোর। ইশিতা দিল্লি ইউনিভার্সিটির শ্রীরাম কলেজ থেকে কমার্সে স্নাতক। দ্বিতীয় হয়েছেন গরিমা লোহিয়া। গরিমাও দিল্লি ইউনিভার্সিটির কিরোরিমাল কলেজ থেকে কমার্সে স্নাতক। তৃতীয় হয়েছেন উমা হারাথি এন। উমা হায়দরাবাদ আইআইটি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক। চতুর্থ হয়েছেন স্মৃতি মিশ্র। দিল্লি ইউনিভার্সিটির মিরান্ডা হাউজ অফ কলেজ থেকে স্নাতক।
পড়ুয়াদের মধ্যে বাংলায় এই ইউপিএসসি পরীক্ষায় উৎসাহিত হয়ে গোটা দেশের মধ্যে মেধাতালিকায় ঠাঁই হয়েছে ১৫৮ নম্বরে। UPSC-তে বাংলার মধ্যে সম্ভাব্য প্রথম শিলিগুড়ির চৈতন্য খেমকার। প্রশিক্ষণ সেরে শীঘ্রই যোগ দিতে যান পুলিশ সার্ভিসে।খানিক পরামর্শের সুরেই চৈতন্য বলছেন, “লেখা পরীক্ষায় পাশ করাই সবথেকে কঠিন। কয়েক বারের চেষ্টাতে সফল না হলেও হাল ছাড়া উচিত নয়।
ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিয়া।
ইউপিএসসি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নম্বরে আছে কলকাতার অঙ্কিতা আগারওয়াল।