যত দিন যাচ্ছে ততই মানুষ সময়ের সাথে সাথে আধুনিক এর থেকেও আধুনিকতর হচ্ছে।এই আধুনিকতাকে কাজে লাগিয়েই মানুষ নিত্য নতুন আসবাবপত্র বানিয়ে ফেলছে। এইরকমই একটি ঘটনা ঘটলো হুগলির চন্দননগরে। হুগলি চন্দননগরের এক খুদে বানিয়ে ফেললো একটি স্মার্ট হেলমেট। সেই ছেলেটির নাম সৌভিক শেঠ। জানা গেছে সৌভিক শেঠ স্মার্ট হেলমেট এর আগে একটি স্মার্ট জুতোও বানিয়েছিল।তার এই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার দেখে অনেকেই তাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন।
সৌভিকের পরিবারের পারিবারিক পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়, তার বাবা জুটমিলের শ্রমিক স্বরূপ শেঠ। পারিবারিক সমস্যা থাকলেও সৌভিক পড়াশোনা কে কখনো থামিয়ে রাখেনি। চন্দননগর কানাইলাল বিদ্যামন্দির ইংলিশ সেকশন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র সৌভিক। সেই পড়াশোনার ফাঁকেই সৌভিক নানারকম আধুনিক জিনিস আবিষ্কার করতো। তেমনি তার একটি আবিষ্কার হলো স্মার্ট হেলমেট। স্মার্ট হেলমেটে তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য আছে। প্রথমত হেলমেটটিতে চার্জ দেওয়ার সুযোগ সুবিধা আছে, দ্বিতীয়ত তাতে রয়েছে একটি ইন্ডিকেটর লাইট, আর তৃতীয়ত রয়েছে ব্লুটুথ কলিং সিস্টেম।
অনেকের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে এই হেলমেটটি কাজ কিভাবে করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক। এই হেলমেটটিতে যে ইন্ডিকেটর লাইটের ব্যবহার করা হয়েছে তাতে পেছনদিক থেকে আসা কোন গাড়ি সহজেই বুঝতে পারবে সামনে কোন বাইক আরহী যাচ্ছে।অনেকেরই বাইক চালানোর সময় ফোন আসলে খুবই অসুবিধা হয় অথবা ফোন আসার সময় ধরতে গেলে কোন বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে সেই জন্যই এই ব্লুটুথ কলিং সিস্টেমট। এই হেলমেটে রয়েছে সোলার চার্জিং সিস্টেম। যার ফলে সূর্যের তাপে হেলমেটে চার্জ হবে। এই হেলমেট মানুষকে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করবে। তার এই হেলমেটটি তৈরি করতে খরচা হয়েছে প্রায় হাজার টাকার মতো , তার মা-বাবা তরফ থেকে এবং তার স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে তাকে অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।