বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভারতে তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায়, বিকল্প এবং উদ্ভাবনী শক্তি দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থানগুলিকে ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ভারত প্রতি বছর উচ্চ তাপমাত্রার সম্মুখীন হচ্ছে। 2030 সালের মধ্যে, সারাদেশে 160-200 মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বার্ষিক প্রাণঘাতী তাপ তরঙ্গের সংস্পর্শে আসতে পারে।অতিরিক্ত তবে প্রবাহের জন্য মানুষ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে না পারার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রচণ্ড ক্ষতি হবে। এছাড়াও কৃষকরা তাদের চাষবাসের ফসল ঠিকমতো ফলাতে পারবে না ফলে তারা ফসলের অভাবে দুর্দশাগ্রস্থ হয় পড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রবল গরমের মুখোমুখি হবে ভারত। দেশটির বিভিন্ন অংশে গ্রীষ্মে চরম দাপট হওয়ার বিষয়টি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,গ্রীষ্মের চরম দাপট এখন আরো দীর্ঘ ও তীব্র এবং নিয়মিত হয়ে উঠবে।
প্রবল তাপমাত্রার মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি মানুষের স্বাস্থ্যে সরাসরি প্রভাব ফেলছে এটি হূদরোগ এবং শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার মতো নানা জটিলতা ঘটায় এবং হৃদ স্ট্রোক, এবং আঘাতজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। এছাড়াও ভারতে অতিরিক্ত যানবাহন হওয়ার কারণে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব বাড়ছে তার ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২১ সালে ভারতের গড় তাপমাত্রা যা ছিল, আগামী দশ বছরের মধ্যে তা ২৫ গুণ বেড়ে যাবে। প্রতি বছর কমপক্ষে এগারো দিন তাপপ্রবাহ হতে পারে। শুধু গরমই নয়, ভোগান্তি বাড়াবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের সমস্যাও। তার অন্যতম প্রধান কারণ কার্বন নিঃসরণ। দূষণ ও কার্বন নির্গমনের পরিমাণ যদি না কমানো যায়, তাহলে সাংঘাতিক তাপপ্রবাহের মধ্যে পড়তে হবে ভারতকে। আফ্রিকার বেশ কয়েকটি অঞ্চলের তাপপ্রবাহ প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে জানয় বিশ্বব্যাঙ্কও।